SSC Recruitment Scam 2024: চাকরি গেল যেসব যোগ্য প্রার্থীদের, পরবর্তী ক্ষেত্রে পদক্ষেপ কী হবে তাঁদের?

Share:

SSC Recruitment Scam: ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বড় ধাক্কা। বহু প্রতীক্ষিত এসএসসি দুর্নীতি মামলার রায় ইতিমধ্যে ঘোষণা করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ADVERTISEMENTS

SSC Recruitment Scam Verdict

২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলের মাধ্যমে যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের চাকরি হাসিল করেছিলেন তাদের সব চাকরি বাতিল করেছে হাইকোর্ট। প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

এই ২৬ হাজার জনের মধ্যে রয়েছে গ্রুপ সি গ্রুপ ডি নবমদাদশের নিয়োগ ইত্যাদি। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নবম এবং দ্বাদশের নিয়োগ সম্পন্ন অবৈধ। এর মাঝে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশ্ন উঠে আসছে এই সময় এমন কিছু জন চাকরি পেয়েছিলেন যারা সত্যিই ছিলেন যোগ্য ক্যানডিডেট।

তাদের ভবিষ্যৎ কি হবে! আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী যে ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী সেই বছর পরীক্ষায় বসে ছিলেন তাদের ওয়েমাস্ট শিট আবার মূল্যায়ন করা হবে। একদিক দিয়ে দেখতে গেলে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের অতীতের রায় গুলিকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত (SSC Recruitment Scam)।

নিয়োগ দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে গাজিয়াবাদে নাইসার এক আধিকারিক পঙ্কজ বনসনের বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। জানিয়ে নাইসার গ্রুপ সি নিয়োগ ও এম আর সিট তৈরি করেছিল। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে গাজিয়াবাদে এই নীলাদ্রির বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি হার্ডডিস্ক। যাতে সম্পূর্ণ ওএমআর শিটের স্ক্যান কপি ছিল। এখানে প্রায় ৫০ লক্ষ পাতার স্ক্যান কপি ছিল (SSC Recruitment Scam)।

নতুন করে মেধা তালিকা প্রকাশের জন্য পুনর্মূল্যায়নের পদ্ধতি ও বেঁধে দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের তরফ থেকে। নাইসার ওএমআর সিটের নম্বরের সঙ্গে যোগ। অ্যাকাডেমিক স্কোর এবং মৌখিক ইন্টারভিউয়ে প্রাপ্ত নম্বর।

প্রকাশ করা হবে নতুন করে প্যানেল। প্যানেলের মধ্যে যে সমস্ত চাকরি প্রাপকদের নাম দেওয়া থাকবে তারা নতুন করে আবার পেয়ে যাবেন নিয়োগপত্র। ওএমআর সিটের পুনর্মূল্যায়নের জন্য ওপেন টেন্ডার ডাকা হবে এসএসসির তরফ থেকে (SSC Recruitment Scam)।

এই ওপেন টেন্ডারে উল্লেখ থাকবে যোগ্যতা অন্যান্য নিয়ম এবং বিভিন্ন শর্তাবলী। পুনঃ মূল্যায়নের পর যত দ্রুত সম্ভব যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের আবার চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জানা যাচ্ছে এসএসসিকে ২০১৬ সালের সেই ওয়েমার শিটগুলিকে আবার রি আপলোড করতে হবে। টেন্ডার দেখে সেই ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ওই মাসিক নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে অন্য কোনও সংস্থাকে দেওয়া হবে দায়িত্ব। তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই দায়িত্বে আর নাইসা থাকবে না।

নতুন করে মূল্যায়নের ভিত্তিতে একেবারে সবকিছু নতুন করে গঠিত হবে। হাইকোর্ট আরো জানিয়েছে নিয়োগ দুর্নীতির ওপর বাকি সমস্ত তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই। যাকে প্রয়োজন মনে হবে তাকেই হেফাজতে নিতে পারবেন। ২৮১ পাতার নির্দেশ রয়েছে মোট ৩৭০টি অনুচ্ছেদ এর মধ্যে। সেই নির্দেশ যদিও এখনো সামনে আসেনি। এটি সামনে এলে আরো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এসএসসির গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি নবম দশম এবং একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর চব্বিশ হাজারের বেশি শূন্য পদে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল একসময়। তখন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় অনেকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সময় (SSC Recruitment Scam)।

সেই নির্দেশ অনুযায়ী স্থগিতাদেশ দিয়ে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে মামলাটি ফেরত পাঠিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই বিশেষ বেঞ্চকে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে শুনানি শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে। এই নির্দেশ মতোই গত ডিসেম্বর মাস থেকে ওই মামলাগুলি শুনানি শুরু হয়ে যায় বিশেষ বেঞ্চে। টানা সাড়ে তিন মাস ধরে বিচারপতি দেবাংশ বশাক এবং বিচারপতি সব্বর রশিদের ডিভিশন বেঞ্চে টানা এই মামলার শুনানি চলেছে।

আরও খবর জানতে ফলো করুন আমাদের দৈনিক নিউজ বাংলাকে

Written By Tithi Adak

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment