Primary TET: 59,500 জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল? কী বলল হাইকোর্ট? দেখুন

Share:

Primary TET: বিভিন্ন মামলা চলছে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে। হাইকোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ। যে শুনানির ওপর নির্ভর করছে প্রায় ৬০ হাজার জন শিক্ষকের ভবিষ্যতের চাকরি। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদের কপালে পড়েছে এই চিন্তার ভাঁজ।

ADVERTISEMENTS

Primary TET 2024

এবার অনেকের মনে প্রশ্ন লাগছে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের চাকরি কেন বাতিল হতে পারে! সে ক্ষেত্রে পিছিয়ে যেতে হবে বেশ কিছুটা বছর। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটের মাধ্যমে যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল সেই নিয়েই গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল বারে বারে। যার পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক মামলার দায়ের করা হয়েছিল।

যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা এখানে নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল অনেকে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিল। এমনকি দেখা গিয়েছিল তাঁরা পরীক্ষায় পাস পর্যন্ত করেননি। গত ৯ এপ্রিল এই মামলার শুনানি ঘোষিত হয়। যেখানে চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবীরা জানান যে তারা ওয়েমারের আসল তথ্য এখনও হাতে পাননি। এই শুনানির পর কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে সেই বছরের সমস্ত নিয়োগ হওয়া চাকরিপ্রার্থীদের ওএমআর সিটের সমস্ত তথ্য যে করে হোক খোঁজে বার করতেই হবে।

এর ঠিক পরেই হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই তথ্য আদালতের কাছে পেশ না করা হয় তাহলে একেবারে বাতিল করে দেওয়া হবে ৫৯ হাজার ৫০০ জনের প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি। বিচারপতি এই প্রসঙ্গে আরো বলেন যদি হার্ড কপি হারিয়ে গিয়েও থাকে সেক্ষেত্রে ডিজিটাল কপি অবশ্যই সংরক্ষিত নিশ্চয়ই থাকবে কোথাও না কোথাও। যেমন করেই হোক আদালতের কাছে সেই সমস্ত শিক্ষকদের ওএমআর তথ্য জমা করতেই হবে। নয়তো আদালত পুরোপুরি বাতিল করে দেবে ২০১৪ সালের প্রাইমারি নিয়োগের প্যানেল (Primary TET)।

প্রসঙ্গত মান্থ যে ওয়েমার কপি জমা দিতে বলেছেন সেটি হারিয়ে গিয়েছে বলে ২০১৯ সালেই জানিয়ে দিয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই সময় এক পরীক্ষার্থীর চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার জন্য এর প্রতিলিপি তৈরি করে নানা রকম কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছিল। এক্ষেত্রে হাইকোর্টের তরফ থেকে সিবিআইকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যদি কোনও কারণে ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলা হয়ে থাকে সেটিও ফিরে পাওয়ার বহু উপায় রয়েছে। যে করে হোক পুরনো সমস্ত তথ্য খুঁজে বার করতেই হবে (Primary TET)।

কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে কার্যত আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কর্মরত শিক্ষকদের ঘিরে। যদিও এই চাকরি আদতে কাদের কাছে যাচ্ছে সেই তালিকা এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আনেনি আদালত। বিচারপতি রাজশেখর মন্থা পরবর্তীতে ঠিক কি পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তাই নিয়েই এখন সকলে আশাবাদী (Primary TET)।

আরও খবর জানতে ফলো করুন আমাদের দৈনিক নিউজ বাংলাকে

Written By Tithi Adak

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment