NO Mobile in Class 2024: স্কুল টিচারদের জন্য কড়া নির্দেশ, না মানলে এবার হারাতে হবে চাকরি, জানুন বিশদে

Share:

NO Mobile in Class: ক্লাস করতে করতে ফোন ঘাটার অভ্যাস! স্কুল চলাকালীন হাত পড়ে যায় ফেসবুকে! তাহলে সাবধান। নয়ত আপনার জন্য অপেক্ষা করছে বড় বিপদ। এমনকি চলে যেতে পারে আপনার চাকরিও!

ADVERTISEMENTS

NO Mobile in Class

স্কুলে আর ঘাটা যাবে না মোবাইল। শুধু তাই নয়, স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের মানতে হবে এই তিন বিশেষ নিয়ম। পড়ানোর সময় ফোন ঘাটা যাবে না এরকম নিয়ম কিন্তু রয়েছে অনেক দিন থেকেই। তবে অনেকেই মানেন না সেই নিয়ম। যার ফলে উঠে আসছে বহু অভিযোগ।

এরপরেই একপ্রকার নড়েচড়ে বসেছে শিক্ষা দপ্তর (NO Mobile in Class)। পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু নিয়ম (NO Mobile in Class)। যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মোবাইল ব্যবহার থেকে শুরু করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং তাদের ছুটি নেওয়ার বিষয়ও।

কী কী নিয়ম জারি করা হয়েছে? কীভাবে সব নিয়ম পালন করতে হবে? এই নিয়ম ভাঙ্গলে কি হবে? সবটা রইল আজকে আমাদের এই প্রতিবেদনে।

কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত?

ঘটনাচক্রে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু হঠাৎই একদিন সারপ্রাইজ ভিজিট করেন এক স্কুলে। জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চে যাওয়ার পথে ফণীন্দ্রদেব ইনস্টিটিউশন স্কুলে পরিদর্শন করতে গিয়ে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান তিনি।

সারপ্রাইজ ভিজিট এর সময় বিচারপতি দেখতে পান স্কুলে ৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১২ জন অনুপস্থিত (NO Mobile in Class)। এখানেই শেষ নয়, এইদিন তিনি নর্দমায় পড়ে থাকতে দেখেন মিড ডে মিলের ভাত। এই ঘটনা সকলের সামনে আসার পর থেকেই একেবারেই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা দপ্তর।

কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

একাধিক স্কুলে মোবাইল ঘাটা থেকে শুরু করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং ছুটি নেওয়ার বিষয়ে লম্বা নির্দেশিকা পাঠানো হয় স্কুলগুলিতে। নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শিক্ষক শিক্ষিকারা স্কুলে বসে কোনওভাবেই ফোন ঘাটতে পারবেন না। এমনকি ছুটির বিষয়েও কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকদের অনুমতি না নিয়ে স্কুলের কোনও শিক্ষক শিক্ষিকা ছুটি নিতে পারবেন না বা অনুপস্থিত থাকতে পারবেন না। এর পাশাপাশি স্পষ্ট ভাবে জানাতে হবে কেন তারা ছুটি নিচ্ছেন।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকদের আপটুডেট রাখতে হবে রেজিস্টারের খাতা। স্কুল চত্বর থেকে শুরু করে মিড ডে মিল রান্নার জায়গা, খাওয়ার জায়গা, টয়লেট, পানীয় জলের জায়গা, ক্লাসরুম সবকিছু পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার রাখতে হবে। স্কুল বসার অন্তত ১০ মিনিট আগে পৌঁছে যেতে হবে ইনস্টিটিউশনে।

শিক্ষিকাদের পাশাপাশি পড়ুয়াদের নির্দেশ

শিক্ষক শিক্ষিকাদের পাশাপাশি পড়ুয়াদের জন্য বাধা হয়েছে একগুচ্ছ নিয়ম। তাদের স্মার্ট ফোন ব্যবহারে আনা হয়েছে বিধি-নিষেধ। ক্লাসরুম কিংবা ল্যাবরেটরিতে যাতে স্কুলের শিক্ষকরা নিজেদের মোবাইল থেকে বিরত থাকেন নজর রাখা হবে সেই বিষয়ের ওপর। ক্লাস চলাকালীন কোনও স্মার্ট ডিভাইস কিংবা ব্লুটুথ ডিভাইসের ব্যবহার করতে পারবেন না শিক্ষক শিক্ষিকারা।

এই কড়াকড়ি নির্দেশের প্রাসঙ্গিকতা

পড়ুয়াদের কোনও জিনিস শেখানোর ক্ষেত্রে যদি স্মার্টফোন ব্যবহারের দরকার হয় তাহলে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ওপর মহল থেকে অনুমতি নিতে হবে। সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র টিচিং এড্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে এটি। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের বক্তব্যও স্মার্টফোনের জন্য অনেকাংশেই দেখা যাচ্ছিল পড়ুয়াদের পড়াশোনা লাঠি উঠেছিল। বাড়িতে রাস্তায় চায়ের দোকান এমনকি শৌচাগারেও স্মার্টফোনের ব্যবহারের প্রবণতা বাড়াচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে যদি ক্লাসের স্যার ম্যাডামরাও মোবাইল দেখতে শুরু করেন তাহলে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন!

আরও খবর জানতে ফলো করুন আমাদের দৈনিক নিউজ বাংলাকে

Written By Tithi Adak

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment