Caste Certificate 2024: যেসব মানুষেরা রয়েছেন অনগ্রসর শ্রেণীতে, তাদেরকে বরাবরই সরকারের তরফ থেকে দেওয়া হয় একাধিক সুবিধা। চাকরির ক্ষেত্রে থেকে শুরু করে পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সবেতেই সাধারণ মানুষের থেকে বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন তারা। যদিও এই সুবিধা পাওয়ার জন্য তাদের প্রমাণ হিসেবে দেখাতে হয় জাতিগত সমস্যা পত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেট। এই শংসাপত্র সাধারণত প্রদান করে থাকে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণবিভাগ।
Check Caste Certificate 2024 status in West Bengal
আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ অর্থাৎ তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর বাসিন্দাদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করতে এবং তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতেই নেওয়া হয়েছিল এমন উদ্যোগ। তবে অনেকেই রয়েছেন যারা এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হয়েও বঞ্চিত হন একাধিক সুযোগ-সুবিধা থেকে। তার মূল কারণ হল তাদের কাছে কাস্ট সার্টিফিকেট না থাকা। অনেকেই জানেন না কীভাবে অ্যাপ্লাই করবেন তারা!
March Holiday 2024: চারদিন লম্বা ছুটির ঘোষণা, দেখুন তালিকা, বন্ধ থাকবে সব, আনন্দে লাফাবেন
কাস্ট সার্টিফিকেট (Caste Certificate 2024) অ্যাপ্লাই করার জন্য কী করতে হবে?
রাজ্যে মাঝেমধ্যেই বসানো হয় দুয়ারে সরকার শিবির। অষ্টম পর্যায়ের দুয়ারে সরকার শিবির বসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণীর পিছিয়ে পড়া মানুষেরা এই শিবিরে গিয়ে কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য নির্দ্বিধায় আবেদন করতে পারেন। এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারা চলে যেতে পারেন বিডিও অফিসে।
অফলাইনের সঙ্গে সঙ্গে আজকাল অনলাইনেও আবেদন করা যায় কাস্ট সার্টিফিকেট। আবেদনকারী সমস্ত কিছু ঠিকঠাক ভাবে জমা দিলে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই সেই আবেদন মঞ্জুর করে দেওয়া হয় এবং বিনামূল্যে চলে আসে কাস্ট সার্টিফিকেট।
অনলাইনে কাস্ট সার্টিফিকেটের (Caste Certificate 2024) জন্য আবেদন করার জন্য ঠিক কী কী লাগে?
যারা এই জাতিগত শংশাপত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে চান তাদের একটি পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক ছবি লাগবে। কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে ভিজিট করতে হবে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট পেজ খুলে জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং পুরসভার নাম উল্লেখ করতে হবে আবেদনকারীকে।
এরই সঙ্গে আবেদনকারীর নাম বাবার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইমেইল অ্যাড্রেস এই সব কিছুই লেখার সঙ্গে জমা দিতে হবে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড এবং খাদ্য সাথী কার্ডের নম্বর। যদি কোনও ধর্মের হয়ে থাকেন আবেদনকারী সেটাও সেখানে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। যদি আগে বাবা মা বা কারোর কাস্ট সার্টিফিকেট থাকে তাহলে সেখানে জমা দিতে হবে সেটি।
কতদিনে এই কাস্ট সার্টিফিকেট (Caste Certificate 2024) অনুমোদন করা হয়?
অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাধারণত আবেদন পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যেই আবেদনকারীর আবেদন মঞ্জুর করে দেওয়া হয়।। আবার অনেক ক্ষেত্রেও ভাগ্য ভাল থাকলে একদিনের মধ্যে তা অ্যাপ্রুভ হয়ে যায়। খুব বেশি হলে আবেদনকারীর আবেদন মঞ্জুর হতে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। এর জন্য লাগে না এক টাকাও।
আরও খবর জানতে ফলো করুন আমাদের দৈনিক নিউজ বাংলাকে।