Recruitment Scam: চাকরি যেতে পারে 70 হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

Share:

Recruitment Scam: ফের চাকরি যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ৭০ হাজার চাকরিপ্রার্থীদের! হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন, এমনটাই শুনিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বেশ কিছুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে একটি বিশেষ রায়।

ADVERTISEMENTS

Recruitment Scam

কলকাতা হাইকোর্টের শুনানি অনুযায়ী ২০২৬ সালের টেটের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যাঁরা যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন নবম দশম, একাদশ দ্বাদশ, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি প্রত্যেকের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। ফের আরো এক নিয়োগ দুর্নীতির মামলা উঠেছে কলকাতা হাইকোর্টে (Recruitment Scam)।

গত সপ্তাহেই দুর্নীতির অভিযোগে বাতিল করা হয়েছিল ২০১৬ সালের এসএসসির গোটা নিয়োগ। নিয়োগ প্যানেল অনুযায়ী এক ধাক্কায় রাতারাতি চাকরিহারা হয়েছিলেন ২৬,০০০ জন কর্মরত। এরমধ্যে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষাতেও এক ধাক্কায় এবারে চাকরি যেতে পারে প্রায় ৭০ হাজার জনের।

জানা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষাতে রয়েছে একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ। যার উপর ভিত্তি করেই বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে ২০১৪ সালের প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ইতিমধ্যেই তুলে ধরা হয়েছে সিবিআই এর পক্ষ থেকে। যেখানে দেখা যাচ্ছে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে একাধিক ব্যক্তিকে চাকরিতে যোগদান করানো হয়েছে। এমনকি ফেল করা ব্যক্তিদেরও পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্নভাবে তদন্ত করে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকি সিবিআই এর জমা দেওয়া রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আদালতের পক্ষ থেকে চাওয়া হয়েছিল একাধিক উত্তর। এই উত্তর দিতে পারেনি পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। যার উপর ভিত্তি করে ভীষণভাবে রেগে গিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

উল্লেখ্য ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেট পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই ২০১৬, ২০২০, ২০২২, ২০২৪ সালে একাধিক প্রাথমিক পদে শিক্ষক নিয়োগের মতো ঘটনা ঘটেছিল (Recruitment Scam)।

শুনানিতে বিচারপতি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন এই টেট মামলার ফল যদি নেতিবাচক হয়ে থাকে তাহলে এর ওপর ভিত্তি করে হওয়ার সমস্ত নিয়োগ মামলা একেবারে অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলবে। এই সময় বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন (Recruitment Scam)।

রাজাশেখর মান্থার পক্ষ থেকে সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যদি সিবিআই ওএমআর শিটের আসল কোনও তথ্য খুঁজে না পায় তাহলে ২০১৪ সালের পুরো টেট বাতিল করবে। এই টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে চার দফায় মোট ৭০ হাজার জন শিক্ষককে কাজে নেওয়া হয়েছিল বলেই জানা যাচ্ছে।।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এখন প্রায় ৭০ হাজার চাকরিজীবীর ভবিষ্যৎ ডুবে রয়েছে একরাশ অন্ধকারে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী মামলার পরবর্তীকালে শুনানির আগেই সমস্ত পক্ষকে হলফনামা জারি করতে বলা হয়েছে। আট সপ্তাহ পরে ধার্য করা হয়েছে পরবর্তী মামলার শুনানির দিনক্ষণ (Recruitment Scam)।

আরও খবর জানতে ফলো করুন আমাদের দৈনিক নিউজ বাংলাকে

Written By Tithi Adak

শেয়ার করুন: Sharing is Caring!

Leave a Comment